Bangladesh Telegraph
সর্বশেষ: কোরিয়ার নীল বিপ্লব: সমুদ্রভিত্তিক কৃষিতে বাংলাদেশিদের নতুন সম্ভাবনা ব্যাংক খাতে এস আলমের মহা কেলেংকারি: ১০৪৭৯ কোটি টাকা 'ঋণ-লুট' কাণ্ডে তোলপাড় কর্ণফুলী রক্ষায় ৭ দিনের আল্টিমেটাম, উচ্ছেদ না হলে প্রশাসন ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি প্রবাসের বুকে এক মানবিক ফেরিওয়ালা: সবুজ বড়ুয়ার অদম্য জীবনগল্প বৌদ্ধ ঐতিহ্যের নতুন দিগন্ত: নন্দনকানন গোল চত্বরে ড. জিনবোধি মহাথেরোর প্রচেষ্টায় নির্মিত হচ্ছে নান্দনিক "পদ্মফুল ভাস্কর্য" চট্টগ্রামে অপরাধের লাগামহীন দৌরাত্ম্য: ফ্লাইওভার থেকে সড়কে অনিরাপদ নগরবাসী চট্টগ্রাম আদালতে বিচারপ্রার্থীদের ভোগান্তি ও অব্যবস্থাপনার চিত্র চরমে সংকটে চট্টগ্রাম রেলওয়ে: যাত্রী ভোগান্তি ও অব্যবস্থাপনার চিত্র বাড়ছে বুদ্ধ মহাধাতু চৈত্যে ৫০০ জন গণ প্রব্রজ্যা ও কঠিন চীবর দান সম্পন্ন: এক অনন্য আধ্যাত্মিক মহাযজ্ঞ চট্টগ্রামের কেইপিজেড নিয়োগ বাণিজ্য নিয়ে স্থানীয়দের ক্ষোভ বাড়ছে কোরিয়ায় ভুল করেও যা করবেন না: ১০ লাখের 'ঘুষ' দিতে গিয়ে ৭০ লাখের জরিমানা! সংকটে অদম্য, সাফল্যে অনন্য: ২০২৫ সালে চট্টগ্রাম বন্দরের ঐতিহাসিক জয়যাত্রা রক্তাক্ত চট্টগ্রাম: গ্যাং ওয়ার, টার্গেট কিলিং ও ক্ষমতার দ্বন্দ্বে জ্বলছে চট্টগ্রাম চট্টগ্রামে চসিকের ময়লার গাড়ির ধাক্কায় পুলিশ সদস্য নিহত: এলাকায় শোকের ছায়া স্মরণকালের বিশালতম জনসমুদ্র: খালেদা জিয়ার শেষ বিদায়ের সেই ঐতিহাসিক মুহূর্ত বেতাগীতে আধ্যাত্মিক জোয়ার: পর পূজ্য শীলানন্দ মহাস্থবিরের (ধুতাঙ্গ ভান্তে) ৪৯তম জন্মজয়ন্তী ও ভূমিদান মহোৎসব শিশু সাজিদের মৃত্যুর ঘটনায় ৫ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে লিগ্যাল নোটিশ পাকিস্তানে এই প্রথম বিশ্ববিদ্যালয়ে কোর্সে ঢুকল সংস্কৃত, গীতা, মহাভারত ওসমান হাদি হত্যাচেষ্টায় জড়িতদের ধরিয়ে দিতে পারলে ৫০ লাখ টাকা পুরস্কার ক্ষমতায় এলে লুটপাট ও দুর্নীতি বন্ধ করবো, দুর্নীতিকে আমরা কখনোই সহ্য করব না : কাজী দ্বীন মোহাম্মদ
প্রতিবেদক - | শনিবার, ২০২৫ অক্টোবর ২৫, ০৯:১৭ অপরাহ্ন
বারবার কাশি দিয়ে ধরা চাকরিপ্রার্থী
বারবার কাশি দিয়ে ধরা চাকরিপ্রার্থী

দিনাজপুরে চাকরির পরীক্ষার হলে বারবার সন্দেহজনক কাশি দিচ্ছিলেন এক পরীক্ষার্থী। বিষয়টি ইচ্ছাকৃত মনে হওয়ায় এবং কিছুটা বিরক্তিকর লাগায় সেই পরীক্ষার্থীকে জিজ্ঞাসাবাদ করে তল্লাশি করতে গিয়ে উদ্ধার হয় বারবার কাশির কারণ। ওই পরীক্ষার্থীর কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় দুটি ডিভাইস। তাকে এ ঘটনায় আটক করেছে পুলিশ।
আজ  শনিবার (২৫ অক্টোবর) সকাল ১০টায় দিনাজপুর শহরের কসবা এলাকায় “ কেরী মেমোরিয়াল হাইস্কুলের  “ পরীক্ষা কেন্দ্রে এ ঘটনাটি ঘটে। অন্যান্য কেন্দ্রের মতো এ কেন্দ্রেও খাদ্য অধিদপ্তরের ‘উপখাদ্য পরিদর্শক’ পদের পরীক্ষা চলছিল।
আটক পরীক্ষার্থীর নাম “কৃষ্ণকান্ত রায়”। তিনি বিরল উপজেলার সিঙ্গুল পূর্ব রাজারামপুর গ্রামের বাসিন্দা। স্নাতক সম্পন্ন করা এ চাকরি প্রার্থী দিনাজপুর শহরের ফকিরপাড়া এলাকায় একটি ছাত্রাবাসে ভাড়া থাকতেন।
জিজ্ঞাসাবাদে কৃষ্ণকান্ত রায় চাকরির পরীক্ষায় জালিয়াতির কথা স্বীকার করে জানান, প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে ঢাকার একটি চক্র জড়িত রয়েছে। তাদের মাধ্যমে এসব ডিভাইস পেয়েছেন এবং তা নিয়ে পরীক্ষায় বসেছিলেন। যোগাযোগ ডিভাইসের অন্য প্রান্ত থেকে তাকে বলা হয়েছিল, প্রশ্নের সেট ‘পদ্মা’ হলে যেন কাশি দেন। বিষয়টি বুঝে উঠতে না পেরে বারবার কাশি দিতে গিয়ে ধরা পড়েন তিনি।
জালিয়াতির প্রক্রিয়া বর্ণনা করে ওই পরীক্ষার্থী বলেন, পরীক্ষা শুরুর এক থেকে পাঁচ মিনিটের মধ্যে চক্রটির হাতে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে প্রশ্নপত্রটি চলে আসে। শহরের ফকিরপাড়া ও সুইহারি এলাকায় দুটি ছাত্রাবাসে কোচিং সেন্টারের কয়েকজন শিক্ষক বিভিন্ন সেটের প্রশ্নগুলোর উত্তরপত্র প্রস্তুত করেন। এর মধ্যে ডিভাইসের মাধ্যমে পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে প্রশ্নের সেট নম্বর জেনে নেয় চক্রটি। পরে ক্রম অনুযায়ী প্রশ্নগুলোর উত্তর (ক, খ, গ, ঘ) বলতে থাকে। পরীক্ষার্থী শুনে শুনে তৎক্ষণাৎ প্রশ্নপত্রে বিশেষ দাগ দিয়ে উত্তরগুলো চিহ্নিত করেন। পরে ওএমআর শিটের বৃত্ত ভরাট করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে দিনাজপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার “আনোয়ার হোসেন ” বলেন, আমাদের কাছে তথ্য আগে থেকেই তথ্য ছিল, ওই কেন্দ্রে এক পরীক্ষার্থী ডিভাইস নিয়ে পরীক্ষা দিচ্ছেন; কিন্তু সেটি কোন কক্ষে এবং কোন পরীক্ষার্থী সেটি অস্পষ্ট ছিল। আমরা বিশেষ নজরদারিতে রেখেছিলাম। পরে ১০১ নম্বর রুমের ওই শিক্ষার্থীর আচরণ সন্দেহ হয়। একপর্যায়ে আমরা তাকে তল্লাশি করে ডিভাইসগুলো উদ্ধার করা হয়।
আজ শনিবার দিনাজপুরের বিভিন্ন কেন্দ্রে কমপক্ষে ৫৫ জন ডিভাইস নিয়ে পরীক্ষায় বসেছিলেন বলে প্রশাসনের কাছে তথ্য রয়েছে বলেও জানা গেছে।
এসব বিষয়ে জানতে চাইলে দিনাজপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি)  “এস এম হাবিবুল হাসান ” বলেন, জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত এক পরীক্ষার্থীকে আমরা হাতেনাতে ধরেছি। পরীক্ষাকেন্দ্রের বাইরে থেকে তার ভাইকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আনা হয়েছে। পুরো চক্রটি ধরতে পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে অভিযান চলমান রয়েছে।

মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রয়োজনীয় ঘরগুলো * চিহ্নিত।